mahashorgol.com প্রতিবেদন: গত ১৫ নভেম্বর বাঁকুড়া রবীন্দ্রভবনে মঞ্চস্থ হয়েছিল আটচালার প্রযোজনায় ভৈরবনাথ গঙ্গোপাধ্যায় রচিত এবং নবাব চ্যাটার্জি ও হরিহর পাল নির্দেশিত সামাজিক যাত্রাপালা ‘মা মাটি মানুষ’। যাত্রাপালাটির অভিনেতা-অভিনেত্রীদের চিত্তাকর্ষক অভিনয় দেখে মুগ্ধ হন রবীন্দ্রভবনে আগত দর্শকরা।
পুরুষ চরিত্রগুলি তো বটেই, পাশাপাশি শহরের চার কন্যা যাত্রাপালাটিতে দাপিয়ে অভিনয় করে বুঝিয়ে দেন, অভিনেত্রীরাও পিছিয়ে নেই। বহু জায়গায় অভিনয়ে পুরুষ অভিনেতাদের টেক্কা দিয়ে এগিয়ে ছিলেন শহরের চার কন্যা। শহরের এই চার কন্যারা হলেন, শাশ্বতী হালদার, নিতু পাল, মৌমিতা দালাল এবং শিল্পী মুখার্জি, যাঁদের নাম এই মুহূর্তে শহরের যাত্রামোদী মানুষদের মুখে মুখে ঘুরতে শুরু করেছে।
অতীতে একটা সময় ছিল, যখন ঘরের মেয়েরা যাত্রায় অভিনয় করতে ভয় ও লজ্জা পেতেন। সমাজও মেয়েরা অভিনয় করুন, চাইত না। আজ সেই ভয়, লজ্জা এবং সামাজিক বাধা অতিক্রম করে যাত্রাপালায় সুনামের সঙ্গে অভিনয় করছেন মেয়েরা।
মা মাটি মানুষ যাত্রাপালাটিতে পুরুষ ও নারী মিলিয়ে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন দেবাশীষ পাল (মহিম গাঙ্গুলি), নবাব চ্যাটার্জি (অসীম গাঙ্গুলি), দীপ্তেন্দু ষন্নিগ্রহী (কুমুদ), সঞ্জীব বটব্যাল (শিবনাথ), রাজা মজুমদার (যুধিষ্ঠির মোড়ল), শ্যামল মাজি (ইন্দ্র), পিনাকী গোস্বামী (জগদীশ মাস্টার), তমাল চন্দ্র (পরিমল), পান্থদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (কামাল), মলয় বটব্যাল (মাতন বাগদি), বিধান ব্যানার্জি (জটা), হারাধন ব্রহ্মচারী (লখাই), নীলাঞ্জন দাস (বরেন দারোগা), শ্রীকান্ত মুখার্জি (বিশু), চন্দন ব্যানার্জি (মদন), সম্রাট মুখার্জি (ইন্সপেক্টর), শিল্পী মুখার্জি (কল্যাণী), নিতু পাল (আদুরী), মৌমিতা দালাল (চিত্রা) এবং শাশ্বতী হালদার (সাবিত্রী)।
