তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
নয়ানজুলির পাশে দেখি, ফুটে আছে
অতন্দ্র প্রহরী সেই ফুল।
হাত নেড়ে জানাল অভ্যর্থনা।
একেই তো দেখেছিলাম সেবার যাওয়ার পথে।
মাঝখানে কেটে গেছে কত হ্মৃতিবিহ্বল বছর।
২১ অক্টোবর, ২০২৪
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
নয়ানজুলির পাশে দেখি, ফুটে আছে
অতন্দ্র প্রহরী সেই ফুল।
হাত নেড়ে জানাল অভ্যর্থনা।
একেই তো দেখেছিলাম সেবার যাওয়ার পথে।
মাঝখানে কেটে গেছে কত হ্মৃতিবিহ্বল বছর।
২১ অক্টোবর, ২০২৪
না, ছকবাঁধা রাজনৈতিক সুড়সুড়ি নয়। দলীয় কোন্দল কিংবা স্থানীয় গন্ডগোল বা কুটকচালির কচকচানিও নয়। ‘মহাশোরগোল’ অনাসৃষ্টিহীন সৃষ্টিসুখে মাতোয়ারা থাকতে চায়, রাখতে প্রয়াসী দৃষ্টিনন্দন চিত্র এবং সুখপাঠ্য বাক্যবন্ধনে সমৃদ্ধ রচনার সম্ভার নিয়ে।
দক্ষ হাতের সৃজনশীল মোচড়ে যদি জীবন্ত হয়ে ওঠে সৃষ্টি, তবে মহাশোরগোল তো ছড়িয়ে পড়বেই শহরের এ প্রান্ত থেকে প্রত্যন্ত গ্রামের ও প্রান্তে, রাজ্য থেকে রাজ্যান্তরে, দেশ থেকে দেশান্তরে। আর সেটাই তো স্রষ্টার লক্ষ্যপূরণ, সৃষ্টির সার্থকতা।