দয়াময় পোদ্দার
বহু নদী, বহু নদ গোকুল বটের ছায়াতলে বাঁক নেয়, হেঁটে চলে কৃষ্ণগহ্বরের দিকে। নিরস এই যাত্রায় আজীবন চৈত্র মাস, মাটির গভীরে জলাধার নিকটবর্তী থাকে। শিকড়ে-বাকড়ে জারণদ্রোহ। তাদেরও অনেক উপনদ, উপনদী প্রত্নতাত্ত্বিক ফুটনোট থেকে বয়ে আসে। নর্তক ঠুমকায় ভাঙে নর্তকী পেয়ালা, সোমরসে ভেজা সিগারেটের ছাই, ঠেসে নেভানো ফিল্টার। দরজায় দাঁড়িয়ে থাকে যে প্রসাদ প্রত্যাশায় আমরা গাঁ-গেরামের লোক তাকে খাল বলে চিনি। সকলেরই লক্ষ্য, জীবনে একবার সমুদ্রস্নানে যাওয়া হৃদঘাটে দাঁড়িয়ে পারফিউম গন্ধের সেলফি তোলে, সেখানে সমুদ্র আর সমুদ্রে থাকে না! স্নানে উত্তাল টুনিলাইট, ফাঁদ পেতে ধরা সোনামন পাখি চোরাগোপ্তা হত্যা, কত নদ, উপনদী, খাল এ যাত্রায় পথেই শুকিয়ে যায় সমুদ্র অনেক দূরে ছোট টিলায় বসে বাঁশি বাজায় একা, আমরা জানি না। কবি আসলে এক সমুদ্র!
