কুন্তল চক্রবর্তী

সত্যিই মহাশোরগোল। শিক্ষাকে ভালোবেসে, ছাত্রদের ভালোবেসে বনগাঁ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রাথমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষক দিলীপ ঘোষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসীর কাছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেওয়ার ৮ মাসের মধ্যে স্কুলের পড়াশোনা এবং সমস্ত ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন করেছেন। তাঁর উদ্যোগে বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত সমস্ত ছাত্রের মেধার ভিত্তিতে মর্যাদা প্রদানের ব্যবস্থা চালু হয়। তার মাধ্যমে তিনি ছাত্রদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতিযোগিতার মনোভাব চালু করেছেন। ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবক-অভিভাবিকারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। সব ছাত্রের জন্য আইডেন্টিটি কার্ড চালু করা হয়েছে। মিড ডে মিল উন্নত করার প্রচেষ্টা চলছে।

অন্য পোস্ট: ভালো থাকতে
এককথায়, দিলীপবাবু বনগাঁ হাইস্কুলের প্রাথমিক বিভাগকে অন্যতম আকর্ষণীয় এবং দৃষ্টান্তমূলক বিদ্যালয় হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন। প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সমস্ত ছাত্রের হাতে প্রতিবছর স্মারক উপহার তুলে দেওয়া হয়। বনগাঁ পৌরসভার সহযোগিতায় এবং পৌরপতি গোপাল শেঠের উদ্যোগে ছাত্রদের হাতে ব্যাডমিন্টন, ফুটবল-সহ অন্যান্য খেলার সামগ্রী তুলে দিয়ে তাদের ক্রীড়ামনস্ক করে তোলার প্রচেষ্টা দিলীপ ঘোষের হাত ধরেই বাস্তবায়িত হয়েছে।
ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় দিলীপবাবু জানান, বিদ্যালয়ের সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র এবং অভিভাবকের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এই অসম্ভবকে সম্ভব করা হয়েছে। আগামিদিনে সারা পশ্চিমবাংলায় বনগাঁ হাইস্কুলের প্রাথমিক বিভাগ উল্লেখযোগ্য নিদর্শন হয়ে থাকবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।
