mahashorgol.com প্রতিবেদন: রাসবিহারী রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে এ বছর রাসবিহারী বসু স্মৃতি পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে সুখবর সংবাদপত্র এবং কর্মসংস্থানের সম্পাদক শমীকস্বপন ঘোষের হাতে। গত ২৩ ডিসেম্বর বিকেলে কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজন করা হয়েছিল এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের। প্রাপক শমীকস্বপন পুরস্কারমূল্য হিসাবে গৃহীত এক লক্ষ টাকার চেক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের গবেষণা তহবিলে অবলীলায় দান করেন। এমন মহানুভব ব্যক্তিত্বের উদাহরণ আজ সত্যিই বিরল। তাঁর ‘অপরাজেয় রাসবিহারী’ উপন্যাসের স্বীকৃতি হিসাবে তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া হল।
পারুলবই প্রকাশিত শমীকস্বপন ঘোষের লেখা ‘অপরাজিত রাসবিহারী’ কেবল একটি উপন্যাস নয়, ১৮৮৫ থেকে ১৯১৫ সাল পর্যন্ত ভারতের সামাজিক, ঐতিহাসিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দলিল। বাংলায় প্রথম লেখা এ ধরনের ডকু-নভেলটিতে কোনও কল্পিত চরিত্র বা ঘটনা পরম্পরা নেই। গবেষকদের কাছে এটি একটি আকর গ্রন্থ হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্ষীয়ান সাংবাদিক তথা কথাসাহিত্যিক ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিশিষ্ট সাংবাদিক তথা কথাসাহিত্যিক শঙ্করলাল ভট্টাচার্য ও কলকাতা প্রেস ক্লাবের সভাপতি স্নেহাশিস সুর। সম্মান জানানো হয় ‘রাসবিহারী’ নাটকের জন্য শোভাবাজার প্রতিবিম্ব সংস্থাকে, ‘পরাধীন ভারতে স্বাধীন বিপ্লবী’ তথ্যচিত্রের জন্য শুভাশিস ভট্টাচার্যকে, ‘অগ্নিযুগের অগ্নীশ্বর’ বইয়ের লেখক শ্যামল পালকে, ‘সূর্য যখন নিপ্পনে’ বইয়ের লেখিকা সুলগ্না চক্রবর্তীকে, রাসবিহারী বসুর জাপানি ভাষায় লেখা ‘ইন্দো নো সাকেবি’ বইয়ের বাংলায় ভাষান্তর করা ‘ভারতের আর্তনাদ’ বইয়ের লেখক অলোক বসুকে আর ‘দুই রাসবিহারী’ বইয়ের লেখক রমজান আলিকে।
