মহাশোরগোল প্রতিবেদন: প্রতিবছরের মতো এ বছরও আলেখ্য বাঁকুড়া টেগোর কালচারাল অ্যাকাডেমি আয়োজন করেছিল একটি অনাড়ম্বর রবীন্দ্র শ্রদ্ধাঞ্জলি বাসরের। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৪তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে ২২ শ্রাবণ সন্ধ্যায় বাসরটি আয়োজিত হয় প্রতাপবাগানের শিলাবতী সিংহ ও প্রদ্যোৎ সিংহের বাসভবনে। মাল্যদান, পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন ছাড়াও আলেখ্য বাঁকুড়ার সদস্য-সদস্যা এবং মুক্তকণ্ঠের ছাত্রছাত্রীরা অনুষ্ঠানে গান, আবৃত্তি ও কথায় কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানান। বিশ্বকবিকে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন সংস্থার সভাপতি শক্তি চট্টোপাধ্যায়, সহ-সভাপতি শর্মিলা চৌধুরী, সম্পাদক দেবাশিস মৌলিক-সহ উপস্থিত সকল রবীন্দ্র অনুরাগী। সকালে বাঁকুড়ার প্রতাপবাগানে সুকুমার উদ্যানে ‘আলেখ্য বাঁকুড়া’র পক্ষ থেকে রবীন্দ্রনাথের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান, পুষ্পার্ঘ্য নিবেদনের মাধ্যমে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়।
রবীন্দ্র শ্রদ্ধাঞ্জলি বাসরে কবিতা, গান ও আবৃত্তিতে অংশগ্রহণ করেন ঈশান মুখার্জি, শর্মিলা চৌধুরী, কৃষ্ণম ব্যানার্জি, রিঙ্কু কুণ্ডু, মধুমিতা রায়, দেবর্ষি মৌলিক, শুচিস্মিতা মুখার্জি, টিঙ্কু ব্যানার্জি, অদৃতা ডাঙ্গর, সবিতা প্রতিহার, শঙ্করী ব্যানার্জি, শ্রুতিশ্রদ্ধা মৌলিক, দীপ্তাংশু পাল, সোমা সাহানা, অলংকৃত সূত্রধর, রুমা হাজরা, সুলেখা চৌধুরী, বনশ্রী ঘোষ, সপ্তপর্ণা গুড়িয়া, শুক্লা পাত্র, করবী চ্যাটার্জি, সঙ্গীতা পাল, ঈশানী সরকার, অনন্যা গৌর, পিয়া মুখার্জি, বনমিতা দাস ও অন্যরা। ‘মৃত্যু’ নিয়ে পিয়া মুখার্জির পরিচালনায় পরিবেশিত হয় গীতি-আলেখ্য। জীবন থেকে জীবান্তের বিচ্ছেদ স্পষ্ট হয়েছিল গীতি-আলেখ্যটিতে।

সমগ্র অনুষ্ঠানে যন্ত্রসংগীতে সহযোগিতা করেন তবলায় সুধীসুন্দর কর্মকার এবং এস্রাজে তাপসকুমার মান্না। সঞ্চালনায় ছিলেন সোহম মুখার্জি এবং অহনা হাজরা।
