মহাশোরগোল প্রতিবেদন: মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীশ্রীহরিচাঁদ এবং শ্রীশ্রীগুরুচাঁদ ঠাকুর। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের নাম পরিবর্তনের জন্য আওয়াজ উঠেছে। বলা হচ্ছে, এর নামকরণ হোক মতুয়াধাম লোকসভা কেন্দ্র। পাশাপাশি শ্রীশ্রীহরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মদিনকে জাতীয় ছুটি হিসাবে ঘোষণা করাতে সোচ্চার হয়েছেন মতুয়ারা। এবার এর সঙ্গে যোগ হয়েছে আরও বেশ কিছু ন্যায্য দাবি, যেগুলি প্রাসঙ্গিক এবং যুক্তিযুক্ত।
সারা পৃথিবীতে বিখ্যাত বারুণী মেলা এবং বারুণী পুণ্যস্নান। একে জাতীয় মেলার স্বীকৃতি দেওয়া এবং সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা মতুয়াপ্রাণ দলপতি, গোঁসাই এবং পাগলদের উন্নয়নে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি উঠেছে। সমাজের স্বার্থে, মানুষের স্বার্থে, শিক্ষার স্বার্থে মতুয়া আদর্শকে এ সমস্ত দলপতি, পাগল এবং গোঁসাই চোখের মণির মতো রক্ষা করে চলেছেন। তাঁরা অর্থনৈতিকভাবে অনেকটাই দুর্বল। তাই তাঁদের আর্থিক উন্নয়নের জন্য সরব হয়েছেন সমাজকর্মী সোনাকুমার দাস। অবশ্য সমাজকর্মীর চেয়ে মতুয়া প্রচারক শব্দবন্ধটিতে সোনাকুমার দাস বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
একান্ত আলাপচারিতায় সোনাকুমার জানান, অবিলম্বে রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকার যৌথ উদ্যোগে মতুয়া সম্প্রদায়ের দলপতি, গোঁসাই এবং পাগলদের আর্থিক উন্নয়নের জন্য উপযুক্ত পরিকল্পনা গ্রহণ এবং তাকে বাস্তবায়িত করুক। এ বিষয়ে তিনি মতুয়া মহাসংঘকে অরাজনৈতিক, সামাজিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন এবং প্রশাসনিক স্তরে আলাপ-আলোচনা করার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি মতুয়া সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দাবিদাওয়া এবং সমস্যা তুলে ধরার জন্য মহাশোরগোল পোর্টালকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সোনাকুমার দাস।
