Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

নবম-দশমে শারীরশিক্ষা চালু ও উচ্চমাধ্যমিকে শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে শিক্ষা সংসদে ডেপুটেশন ছাত্রদের, আশ্বাস সভাপতির

পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতির হাতে দাবিপত্র তুলে দিচ্ছেন প্রগতিশীল শারীরশিক্ষা মঞ্চের সদস্যরা।

Share Links:

মহাশোরগোল প্রতিবেদন: নবম ও দশম শ্রেণিতে শারীরিশক্ষা আবশ্যিক করা এবং উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে ডেপুটেশন দিল পশ্চিমবঙ্গ প্রগতিশীল শারীরশিক্ষা মঞ্চ। গত ৪ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদে তারা এই দাবি পেশ করেছে।

একথা অনস্বীকার্য যে, পশ্চিমবঙ্গে শারীরশিক্ষা-সহ অন্যান্য বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা খুবই অসুবিধার মধ্যে রয়েছে। এর প্রত্যক্ষ ফল হল, স্কুলগুলিতে ছাত্রসংখ্যা কমতে থাকছে। উচ্চমাধ্যমিক স্কুলগুলিরও একই অবস্থা। বরং বলা ভালো, আরও খারাপ। কারণ উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান, কলা এবং বাণিজ্য শাখার কোনও শিক্ষক অবসর নিলে আর নতুন শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে না।

উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নিয়ম অনুযায়ী, উচ্চমাধ্যমিকের কোনও বিষয়ের শিক্ষক না থাকলে সে বিষয়ে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা যাবে না। অর্থাৎ বিষয়টি বিদ্যালয় থেকে উঠে যাবে। এতে ছাত্রছাত্রীরা তাদের পছন্দের বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করা থেকে বঞ্চিত হবে। কিন্তু এর জন্য দায়ী কে?  কোনও শিক্ষক অবসর নেওয়ার পর শিক্ষা দফতরের অধীনে থাকা স্কুল সার্ভিস কমিশন বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষক নিয়োগ করে থাকে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া বিচারাধীন থাকায় স্কুলগুলিতে শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে না। ফলে সরকার নিয়ন্ত্রিত প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলির সঙ্গীন অবস্থা। যাদের পক্ষে সম্ভব, তারা প্রাইভেট স্কুলে চলে যাচ্ছে। কিন্তু সব অভিভাবকের পক্ষে অত টাকা খরচ করে সন্তানদের পড়ানো সম্ভব নয়। এ বিষয়ে শিক্ষা দফতরের নজর দেওয়া উচিত।

আবার শারীরশিক্ষা বিষয়টি নিয়ে চলছে টালবাহানা। গত ১২ বছরেও স্বাস্থ্য ও শারীরশিক্ষা নবম-দশম শ্রেণিতে আবশ্যিক করা গেল না কেন? যাঁরা এর দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁদের কি এ বিষয়ে কিছুই করার নেই?

আবার ২০১৩ সালে উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে স্বাস্থ্য ও শারীরশিক্ষা বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত উচ্চমাধ্যমিকে কোনও উপযুক্ত শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন  শিক্ষক নিয়োগ করা হয়নি। পশ্চিমবঙ্গ শারীরশিক্ষা শিক্ষক সংগঠন একাধিকবার এ বিষয়ে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ডেপুটেশন দিয়েছে।

যে সব স্কুলে উচ্চমাধ্যমিকে স্বাস্থ্য ও শারীরশিক্ষা বিষয়টি চালু হয়েছে, সেগুলিতে মাধ্যমিক শারীরশিক্ষা শিক্ষকের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি (MPEd) থাকলে তাঁরা উচ্চতর বেতন দাবি করবেন না বলে তাঁদের মুচলেকা দিতে হয়েছে। যাঁরা উচ্চমাধ্যমিকের শারীরশিক্ষা ক্লাস নিচ্ছেন, তাঁদের উচ্চতর বেতন কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না। শুধু ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে শারীরশিক্ষার শিক্ষকরা বিষয়টি পড়াতে রাজি হয়েছেন। কিন্তু এভাবে কতদিন চলতে পারে! হয় মাধ্যমিক শিক্ষক, যাঁরা দীর্ঘদিন ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান করে চলেছেন, তাঁদের উচ্চতর বেতন কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করা হোক, নতুবা উপযুক্ত উচ্চতর শারীরশিক্ষা ডিগ্রি নিয়ে বসে আছেন, এমন বেকারদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হোক।

গত ৪ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গ প্রগতিশীল শারীরশিক্ষা মঞ্চ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি অধ্যাপক ড. চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যের হাতে এ সংক্রান্ত দাবিপত্র তুলে দিয়েছে। তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে সংগঠনের কর্তাব্যক্তিদের আশ্বাস দিয়েছেন।

5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

এই বিভাগে

৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি শ্রীহট্ট সম্মিলনীর সার্ধশতবর্ষ উদ্‌যাপন

বনগাঁর শতাব্দীপ্রাচীন শ্রীকৃষ্ণ চতুষ্পাঠী আজ অবহেলার নীরব সাক্ষী

বড়িশায় নেতাজির স্মৃতিধন্য ঐতিহাসিক অঙ্গনে আন্তর্জাতিক ইতিহাস উৎসব

কাগজের কলম মাটিতে পুঁতলেই বেরোবে গাছের চারা

১৪ বছরের মেয়ের লেখা গল্প His Childhood Sweetheart

নেতাজির আদর্শে ছাত্র-যুবশক্তিকে একত্রিত করল জাগ্রত সংঘ

শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের জন্য দৌড় কিংস্টন এডুকেশন ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের

রাসবিহারী বসু স্মৃতি পুরস্কারের অর্থ গবেষণায় দান করেছেন শমীকস্বপন ঘোষ

জন্মদিনে অভিনব উদ্যোগ, হাওড়ায় দরিদ্র সেবা

বনগাঁর ইউনাইটেড ক্লাবের পুজোয় ঘুঁটের অভিনব দৃশ্যায়ন