কুন্তল চক্রবর্তী

বনগাঁ কলেজ রোডে বিশিষ্ট মতুয়া দলপতি জ্ঞানপ্রকাশ মণ্ডলের নিবাসে মতুয়া ভক্ত এবং সাধারণ মানুষের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল বারুণী স্নান উপলক্ষে হরিনাম সংকীর্তন এবং আলোচনাচক্র। এই আলোচনাচক্রের মূল বিষয়বস্তু ছিল, বর্তমান সময় এবং ঠাকুর শ্রীহরিচাঁদ এবং শ্রীগুরুচাঁদ। ২৬ মার্চ সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সমাজের সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে হরিচাঁদ এবং গুরুচাঁদ পূজন এবং আলোচনাচক্র অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন বনগাঁ উত্তর বিধানসভার বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া, বিশিষ্ট সমাজসেবক দেবর্ষি বিশ্বাস, অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের বনগাঁ শাখার সম্পাদক মনোজ টিকাদার, ধনঞ্জয় দেবনাথ, দীপ্তি সরকার, রিংকু মিস্ত্রি, লিলি অধিকারী, মতুয়া প্রচারক সোনাকুমার দাস প্রমুখ।
আলোচনাচক্রে বিভিন্ন বক্তা হরিচাঁদ ঠাকুর এবং গুরুচাঁদ ঠাকুরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং বর্তমান সময়ে তাঁদের প্রাসঙ্গিকতা আলোচনা করেন। দেবর্ষি বিশ্বাস তাঁর বক্তব্যে হরিচাঁদ ঠাকুর এবং গুরুচাঁদ ঠাকুরের বিভিন্ন লড়াই-আন্দোলন এবং সফলতার দিকগুলি তুলে ধরেন।
ধনঞ্জয় দেবনাথ বলেন, শুধু নমঃশূদ্র বলে কোনও কথা নেই। যেখানেই সমাজের অবহেলিত মানুষ, সেখানেই হরিচাঁদ ঠাকুর এবং গুরুচাঁদ ঠাকুর। মনোজ টিকাদার বলেন, লাঞ্ছিত, অবহেলিত, বঞ্চিত মানুষের স্বার্থে ঠাকুর যে লড়াই-আন্দোলন করে গিয়েছেন, তা আজও প্রাসঙ্গিক।
আলোচনাচক্রে ২০২৯ সালের আসন পুনর্বিন্যাসের কথা মাথায় রেখে বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রকে ভেঙে মতুয়াধাম লোকসভা কেন্দ্র তৈরির দাবি তোলেন মতুয়া প্রচারক সোনাকুমার দাস। এছাড়াও ঠাকুরনগর বিধানসভা কেন্দ্র তৈরিরও দাবি তোলা হয়। উপস্থিত সকলেই এই দাবিকে সমর্থন জানিয়েছেন। পাশাপাশি ঠাকুরনগরের বারুণী মেলাকে জাতীয় মেলার স্বীকৃতির দাবি জানানো হয়েছে।
