Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

ভারতীয় ক্রিকেট দল পারলে অন্যান্য খেলায় দেশ পিছিয়ে কেন 

Share Links:

অধ্যাপক ড. জয়ন্তকুমার দেবনাথ

ক্রিকেট এখন ভারতের ধর্ম, যেখানে সাম্প্রদায়িকতা নেই, বিদ্বেষ নেই, খুনোখুনি নেই। আছে এক সৌভ্রাতৃত্বের অটুট বন্ধন। সম্প্রতি সেই মহান বন্ধন আমরা ফের প্রত্যক্ষ করলাম T-20 বিশ্বকাপ ক্রিকেটের নবম সংস্করণের ফাইনাল ম্যাচে, আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। এবার ভারতীয় ক্রিকেট দল অবিসংবাদিত নায়ক। ফাইনালে ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী নিউজিল্যান্ডকে দাঁড়াতেই দেয়নি ভারতীয় ক্রিকেটাররা। এই ফাইনালে ভারতীয় ক্রিকেট দলের ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছিল।

টসে হেরে ব্যাটিং পাওয়ার ফলে ভারতের কাজটা অনেক সহজ হয়ে গিয়েছিল। কে যেন বলেছিলেন,  টসে জিতে ব্যাটিং না বোলিং, কি নেওয়া উচিত, এ নিয়ে দলের অধিনায়ক (থিংক ট্যাংক) অনেক ভাববেন। ব্যাটিং না বোলিং?  শেষে কিন্তু ব্যাটিং নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এই ফাইনালে ভারতীয় অধিনায়কের কোনও দায়িত্ব ছিল না। কারণ ‘টস’ জিতেছিলেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক স্যান্টনার। আর টসে হারাটা ভারতীয় দলের কাছে শাপে বর হয়েছিল। বাকিটা ইতিহাস।

প্রথমেই বলতে হবে অভিষেক শর্মার কথা। অত্যন্ত প্রতিভাবান ক্রিকেটার। কিন্তু এবার এই টুর্নামেন্টে তাঁর ব্যাটিং প্রতিভার বিচ্ছুরণ দেখা যায়নি। সেমিফাইনাল পর্যন্ত ভারত আটটি ম্যাচ খেলেছে। একটি ম্যাচে তিনি অসুস্থতার জন্য খেলতে পারেননি। বাকি সাতটি ম্যাচের মধ্যে তিনটি ম্যাচে শূন্য রানে ফিরে আসেন। উল্লেখযোগ্য রান বলতে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৩০ বলে ৫৫ রানের একটি ইনিংস ছাড়া মোট ৩৪ রান ছিল তাঁর ঝুলিতে। স্বাভাবিকভাবেই ফাইনালের দলে তাঁর থাকার কথা নয়। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মধ্যে তাঁকে ফাইনালে বসানোর দাবি উঠছিল। স্বাভাবিকভাবেই তিনি এবারের টি-২০ বিশ্বকাপে ফর্মে ছিলেন না। কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁর ওপর ভরসা হারাননি। তাই সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে তিনি ফাইনাল ম্যাচে খেলেছেন এবং ১৮ বলে অর্ধশতরান করে বিশেষজ্ঞদের চুপ করিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের তাঁর ওপর রাখা ভরসার দাম দিয়েছেন।

পহেলগাম হামলার পর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের চূড়ান্ত অবনতি ঘটে। তার প্রভাব খেলার মাঠেও দেখা যায়। সাধারণভাবে ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ মানেই হাই ভোল্টেজ ম্যাচ। কিন্তু পহেলগাম হামলার পর এশিয়ান ক্রিকেট টুর্নামেন্টে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। এবং সেই টুর্নামেন্টে ভারত বিজয়ী হয়। কিন্তু তারা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট তথা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসীন নকভির হাত থেকে ট্রফি নিতে অস্বীকার করে। তার আগে পহেলগাম হামলার প্রতিবাদে ভারতীয় ক্রিকেটাররা পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকার করেন। সেই ট্রফি এখনও ভারতে আসেনি। তাই পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের বিশ্বকাপ ম্যাচ দেওয়া হয় শ্রীলঙ্কার মাঠে। এটা টুর্নামেন্টের আগেই নির্দিষ্ট হয়। কারণ ভারত-পাক উত্তপ্ত পরিস্থিতি মেনে এই দু’দেশের খেলা নিরপেক্ষ ভ্যানুতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেই ম্যাচে ভারত পাকিস্তানকে ছেলেখেলা করে হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিয়েছে।

এবার T-20 ক্রিকেট বিশ্বকাপে মোট ২০টি দেশ অংশগ্রহণ করেছে। গত T-20 বিশ্বকাপেও ২০টি দল অংশগ্রহণ করেছিল। এবারের টুর্নামেন্ট যৌথভাবে ভারত এবং শ্রীলঙ্কা আয়োজন করে। দু’টি সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল ম্যাচ ভারতে অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৭ সালে T-20 ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায় দশটি টেস্ট ক্রিকেট খেলা দেশ এবং কেনিয়া ও স্কটল্যান্ডকে নিয়ে। প্রথম T-20 বিশ্বকাপে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে ভারত জয়লাভ করে। তারপর ২০২৪ এবং এবার (২০২৬)-সহ মোট তিনবার T-20 বিশ্বকাপ জিতে রেকর্ড গড়েছে।

চূড়ান্ত আট দলের খেলায় এবারের টুর্নামেন্টে ২২ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ভারত হেরে যাওয়ায় সেমিফাইনালে যাওয়া কঠিন হয়ে গিয়েছিল। তারপর ভারতের সঙ্গে খেলা ছিল এই টুর্নামেন্টের চমক জিম্বাবোয়ের সঙ্গে। কারণ এবারের টুর্নামেন্টে জিম্বাবোয়ে দুই হেভিওয়েট দল দক্ষিণ আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চমক দিয়েছে। তাই দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে হারার পর জিম্বাবোয়েকে না হারিয়ে ভারতের উপায় ছিল না। এবং ভারতীয় দল পরবর্তী দু’টি ম্যাচে জিম্বাবোয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে যায়। এই টুর্নামেন্টের দু’টি সেমিফাইনাল ম্যাচ খুবই আকর্ষণীয় হয়েছিল। একটি সেমিফাইনালে ভারত ও  ইংল্যান্ড এবং অপর  সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড অংশগ্রহণ করে।

কিন্তু ২২ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে যাওয়ায় ভারতের সেমিফাইনালে ওঠার রাস্তা কণ্টকাকীর্ণ হয়ে যায়। এমন অবস্থায় ভারত উপহার দিল এক দুর্ধর্ষ জয়। ভারতের অভিষেক শর্মা তিনটি ‘গোল্ডেন ডাক’ করার পর জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ৩০ বলে ৫৫ রানের এক ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে টিম ম্যানেজমেন্টকে কিছুটা আশ্বস্ত করেন। প্রারম্ভিক ব্যাটসম্যান হিসাবে এই ম্যাচে সুযোগ পেয়ে সঞ্জু স্যামসন ১৫ বলে ২৪ রান করে দলকে আশ্বস্ত করেন। শেষদিকে তিলক বর্মার ১৬ বলে ৪৪ রান ভারতকে ২৫০ রানের গণ্ডি পেরোতে সাহায্য করে। আরশদীপের অসাধারণ বোলিং (৩ উইকেট), হার্দিক পান্ডিয়া এবং যশপ্রীত বুমরার কৃপণ বোলিং ভারতকে ৭২ রানের মধুর জয় এনে দিয়েছে।

কিন্তু তাতেও ভারতের সেমিফাইনালে ওঠার বিপদ কাটেনি। পরের ম্যাচ ছিল ভারত এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে। এই ম্যাচও ভারতকে জিততে হবে। নইলে ম্যাচ চলে যাবে রান রেটের হিসাবে। ম্যাচটি ছিল কলকাতার মায়াবী ইডেন গার্ডেনে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৯৫ রান করে। গ্যালারি ভর্তি দর্শকের মধ্যে আশঙ্কার মেঘ। ভারত কি পারবে ১৯৬ রানের টার্গেটে পৌঁছতে। সঞ্জু স্যামসন শেষ ওভারে একটি ৬ এবং একটি চার মারার আগে পর্যন্ত সারা ইডেন কখনও সমস্বরে চিৎকার করেছে, কখনও জয়ধ্বনি দিয়েছে, কখনও নিস্তব্ধ হয়ে পড়েছে। কয়েকজন শিশু দর্শককে দেখা গেল হাত জোড় করে ঈশ্বরের কাছে ভারতের জয়ের জন্য প্রার্থনা করছে। অবশ্যই সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটালেন সঞ্জু স্যামসন ৫০ বলে ৯৭ রানের এক অসাধারণ ইনিংস খেলে। নিশ্চিত হল সেমিফাইনালের টিকিট।

সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি ইংল্যান্ড। এবারের টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ড যথেষ্ট শক্তিশালী দল। তাই ভারত এবং ইংল্যান্ডের মধ্যে যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মুম্বইয়ে সঞ্জু স্যামসনের ৪২ বলে ৮৯ রানের ইনিংস, ঈশান কিষাণ এবং শিবম দুবের অসাধারণ ব্যাটিং পারফরম্যান্স ভারতকে ২৫৩ রানে পৌঁছে দিয়েছিল। কিন্তু ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের সময় এই রানটা কম মনে হচ্ছিল, যখন বেথেল দুর্ধর্ষ ব্যাটিং করে মাত্র ৪৮ বলে ১০৫ বলের একটি ইনিংস খেলেন। কিন্তু আমাদের ছিল বর্তমান প্রজন্মের সেরা বোলার বুমরা। তিনি ১৮তম ওভারে যে বোলিং করলেন, তা সোনার ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখার মতো।  তিনি মাত্র দিলেন ৬ রান। তার পরের ওভারে হার্দিক পান্ডিয়া যে রান আউট করে বেথেলকে ফিরিয়ে দিলেন, তা অবিশ্বাস্য। তারপর ভারতীয় দল জয় সম্বন্ধে নিশ্চিত হয়ে যায়। কারণ তখন ৪ বলে দরকার ২৭ রান। কিন্তু ইংল্যান্ডের শেষ ওভারে নেমে জফ্রার পরপর তিনটি ছয় মেরে জয়ের ব্যবধান কমানো ছাড়া আর কোনও কাজ ছিল না। এই ম্যাচের জয়ের অপর কারিগর অক্ষর প্যাটেল। তিনি ২০ গজ দূর থেকে দৌড়ে এসে শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরে দৌড়ে আসা শিবম দুবের কাছে বলটি দিয়ে দিয়েছিলেন। তাই কাগজে কলমে শিবম দুবের নামে ক্যাচটি থাকলেও আসলে অক্ষর প্যাটেল তাতে সাহায্য করেছেন। এটাও এই ম্যাচ জয়ের একটা টার্নিং পয়েন্ট।

এবার আসা যাক ফাইনাল ম্যাচ প্রসঙ্গে। সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে নিউজিল্যান্ড। ভারতের সামনে ছিল ফাইনাল জিতে উপুর্যুপরি দু’বার এবং মোট তিনবার T-20 বিশ্বকাপ জেতার হাতছানি। কিন্তু নিউজিল্যান্ডকে হালকাভাবে নেওয়া মানে বোকামি। ভারত সেই বোকামি করেনি। কারণ একদিকে স্বপ্নের ফর্মে ছিলেন সঞ্জু স্যামসন। তিনি শেষ দু’টি ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলার পর ভারতীয়দের প্রত্যাশা অনেকটাই বেড়ে যায়। আর ফাইনালে তিনি করেন ৪৬ বলে ৮৯ রান। যে কোনও বড় ম্যাচে বড় খেলোয়াড়রা তাঁদের জাত চেনান। তাই পুরো টুর্নামেন্টে যাঁর একটি মাত্র অর্ধশতরান, সেই অভিষেক ফাইনালে এক ঝড়ো ইনিংস খেলে সব সমালোচকের মুখ বন্ধ করে দিয়েছেন। তিনি ফাইনালে ২১ বলে ৫২ রানের এক অসাধারণ ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন। আর যিনি প্রথমদিকে দলে ঠাঁই পাননি, সেই সঞ্জু স্যামসন ৪৬ বলে ৮৯ রানের ইনিংস খেলে ভারতকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু ঈশান কিষাণের ২৫ বলে ৫৪ রান দলকে ২৫০ রানের গণ্ডি পেরোতে সাহায্য করেছে।

ফাইনালে ভারতীয় দলের বোলিং এবং ফিল্ডিং এক অসাধারণ উচ্চতায় পৌঁছেছিল। প্রথমেই বিপক্ষ অধিনায়কের কাছ থেকে ফাইনালের সেরা উপহার পেলেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। টসে জিতে নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক স্যান্টনার ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে দেন। এই একটা সিদ্ধান্ত ভারতকে ফাইনালে একধাপ এগিয়ে দিয়েছিল। এর সুযোগ নিয়ে ভারতের দুই প্রারম্ভিক ব্যাটসম্যান সঞ্জু স্যামসন এবং ফর্মে না থাকা অভিষেক শর্মার ওপেনিং জুটি ৯৮ রানের ইনিংস খেলে। তারপর ঈশান কিষাণের সঙ্গে জুটি বেঁধে খেলেন সঞ্জু স্যামসন। দ্বিতীয় উইকেটে আসে ২০৩ রান (১৫.১ ওভারে)। কিন্তু হঠাৎই ইন্দ্রপতন। ১৬তম ওভারে প্যাভিলিয়নে পরপর ফিরে যান সঞ্জু স্যামসন (৪৬ বলে ৮৯ রান), ঈশান কিষাণ (২৫ বলে ৫৪ রান) এবং সূর্যকুমার যাদব। সূর্যকুমার প্রথম বলেই আউট হয়ে যান। শেষদিকে শিবম দুবে ৮ বলে ২৬ রান করার ফলে দল আড়াইশো রানের গণ্ডি টপকে যায়।

বোলিং এবং ফিল্ডিংয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন ভারতীয় খেলোয়াড়রা। ভারতের এক এবং অদ্বিতীয় ডেথ ওভার বোলার যশপ্রীত বুমরা T-20-তে তাঁর সেরা বোলিং করেন। তিনি এই ফরম্যাটে প্রথম চার ওভার বল করে ৪টি উইকেট সংগ্রহ করেন। পিছিয়ে ছিলেন না ঘরের  ছেলে অক্ষর প্যাটেলও। তিনি তিনটি উইকেটের সঙ্গে একটি অসাধারণ ক্যাচ ধরে ভারতের তৃতীয়বারের জন্য বিশ্বকাপ  জয় নিশ্চিত করেন।

ভারত একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৯৮৩ এবং ২০১১ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। T- 20 ক্রিকেটে ভারতীয় পুরুষ দল ২০০৭, ২০২৪ এবং ২০২৬ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটে ভারতীয় দল ৬ বার চ্যাম্পিয়ন হয়।

পুরুষ ক্রিকেট দলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলও বিশ্ব ক্রিকেটে নজির গড়েছে। ২০২৫ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট, মহিলা  বিশ্বকাপ এবং মহিলাদের ব্লাইন্ড ক্রিকেটে  বিজয়ী হয়।

এখন প্রশ্ন হল, ভারতীয় ক্রিকেট দল পারে, কিন্তু অন্যান্য খেলা, যেমন, ফুটবল, ভলিবল, বাস্কেটবল-সহ বিভিন্ন অলিম্পিক গেমসে দেশ এত পিছিয়ে কেন ? কীসের অভাব ? প্রতিভার না বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থার পেশাদারিত্বের?

 

5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

এই বিভাগে

সফলতা কাকে বলে

বিশ্ব ক্রিকেটের উত্তরণে কেরি প্যাকারের ভূমিকা

যুগে যুগে তখন এখন (পর্ব ৮)

পথেঘাটে নাকে আঙুল সমাজের নগ্ন সত্য

ভারতীয় চলচ্চিত্রে চিরভাস্বর বাঙালি প্রতিভার আলো

আমরা দেশি কুকুরকে অবহেলা করেছি

যুগে যুগে তখন এখন (পর্ব ৭)

বাংলা সাহিত্যে নদী

क्या स्कूल के पाठ्यक्रम में थिएटर को शामिल किया जाना चाहिए

বঙ্গবিভূষণ ইমনকে ট্রোলিং লজ্জাজনক