Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

এআইয়ের যুগে ছবিও সত্য নয়

এই প্রযুক্তি এখন এমন ছবি তৈরি করতে পারে, যা বাস্তবে কখনও ঘটেনি, অথচ নিখুঁতভাবে বাস্তবসম্মত। ডিপফেক, সিন্থেটিক ফেস, জেনারেটিভ ইমেজ—এসব প্রযুক্তি ছবির সঙ্গে বাস্তবের সম্পর্ক ছিন্ন করে দিয়েছে। এখানে ছবি আর প্রমাণ নয়, এটি সম্ভাবনার দৃশ্যায়ন।

Share Links:

ড. গৌতম মুখোপাধ্যায়
অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ
সিধো-কানহো-বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়, পুরুলিয়া

একসময় ছবি ছিল অকাট্য প্রমাণ। একটি ফ্রেম— স্থির, নীরব, অথচ নিঃসন্দেহ। বিচারালয়ে ছবি প্রদর্শিত হত সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য। সংবাদপত্রে ছবি মানে ছিল ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য। ইতিহাসের পাতায় ছবি ছিল ‘যা ঘটেছিল, তার চাক্ষুষ দলিল’। কিন্তু আজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে দাঁড়িয়ে ছবির বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে গিয়েছে।

চিত্রকলার যুগ থেকে আলোকচিত্র, আলোকচিত্র থেকে ডিজিটাল ইমেজ এবং ডিজিটাল ইমেজ থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্মিত ভিজুয়াল নির্মাণের ক্ষেত্রে ছবি বর্তমানে নান্দনিকতা থেকে বিভ্রমে রূপান্তরিত হয়েছে। উনিশ শতকে আলোকচিত্র (Photography) আবিষ্কৃত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এক বিপ্লব ঘটে। সেই প্রথম মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করে যে, ক্যামেরা মিথ্যা বলে না। কারণ ছবি আর মানুষের হাতে আঁকা নয়, যন্ত্রের মাধ্যমে আলো নিজেই নিজেকে ছাপিয়ে দিচ্ছে। বিচারালয়েও আলোকচিত্র ব্যবহৃত হতে শুরু করে প্রমাণ হিসাবে। অপরাধস্থলের ছবি, মৃতদেহের ছবি, দাঙ্গার ছবি— এসব যেন সত্যের চূড়ান্ত দলিল। ছবি হয়ে ওঠে সাক্ষী, নীরব, কিন্তু অকাট্য প্রমাণ।

মানুষের স্মৃতির চেয়ে নির্ভরযোগ্য একটি ছবি হাজার শব্দের চেয়েও বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। কিন্তু একবিংশ শতকের নয়া জমানা নয়া প্রযুক্তির ইতিহাস রচনা করে। ছবির অবিসংবাদিতা লুপ্ত হয়ে যায়। ছবিকে কল্পনার বিষয়ে রূপান্তরিত করতে নয়া আবিষ্কারের জুড়ি মেলা ভার।  কেন না ছবি এখন ইচ্ছার দাস (slave)। কেমনভাবে তা নির্মাণ করা হবে, সে কৌশল এখন মানুষ রপ্ত করে ফেলেছে। আমেরিকান লেখিকা সুসান সোন্টাগ তাঁর সুবিখ্যাত গ্রন্থ ‍‘On Photography’-তে উল্লেখ করেন যে, ছবি শুধু দেখায় না, নির্বাচন করে। কোন ফ্রেম, কোন আলো, কোন মুহূর্ত— সবই সম্পাদনার ওপর নির্ভরশীল। তাঁর মতে, ‍‘Photography not merely as a technical craft, but as a dominant, aggressive, and subjective way of interpreting the world that turns reality into a consumable object.’  সে কারণেই  ডিজিটাল ফটোগ্রাফি আসার সঙ্গে সঙ্গে ছবির চরিত্র বদলে যায়। ছবি সহজে সম্পাদনযোগ্য হওয়ায় তা ইচ্ছামতো বদলে ফেলা সম্ভব হয়।

এখন ছবি আর প্রমাণ নয়, সম্ভাবনার দৃশ্যায়ন। আজ একটি ছবি দেখে আর বলা যায় না যে, যা দেখা যাচ্ছে, তা ঘটেছে। এ কারণেই আধুনিক বিশ্বের বিভিন্ন আদালতে ছবির গ্রহণযোগ্যতা কমছে। ঔপনিবেশিক শাসনে আলোকচিত্র ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে ক্ষমতার ভাষা হিসাবে। আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ছবি তুলে তাদের ‍‘পিছিয়ে পড়া’, ‍‘বর্বর’ বা ‍‘অসভ্য’ হিসাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ভারতীয় ঔপনিবেশিক প্রেক্ষাপটে আমরা দেখি, দাঙ্গা, বিদ্রোহ বা দুর্ভিক্ষের ছবি ব্রিটিশ প্রশাসনের নীতিকে ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। ছবি সেখানে সত্যের বাহক নয়, বরং সত্যের ব্যাখ্যাকারী এবং প্রায়শই বিকৃত ব্যাখ্যাকারী।

বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে ডিজিটাল ফটোগ্রাফি ও ইমেজ এডিটিং প্রযুক্তি ছবির চরিত্রে এক মৌলিক পরিবর্তন আনে। ছবি আর একক, অনন্য বস্তু নয়, এটি অসীম কপি ও সহজ সম্পাদনার বিষয় হয়ে ওঠে। ফটোশপের মতো সফটওয়্যার মানুষের সামনে প্রথমবারের মতো স্পষ্ট করে দেয়— ছবি বদলানো যায়। এই পর্যায়ে ছবির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়ে, যদিও তখনও একটি আশা ছিল যে, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে আসল ও নকল আলাদা করা যাবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আবির্ভাব ছবির ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। AI এখন এমন ছবি তৈরি করতে পারে, যা বাস্তবে কখনও ঘটেনি, অথচ নিখুঁতভাবে বাস্তবসম্মত। ডিপফেক, সিন্থেটিক ফেস, জেনারেটিভ ইমেজ—এসব প্রযুক্তি ছবির সঙ্গে বাস্তবের সম্পর্ক ছিন্ন করে দিয়েছে। এখানে ছবি আর প্রমাণ নয়, এটি সম্ভাবনার দৃশ্যায়ন। এই পরিস্থিতিতে বিচারব্যবস্থায় ছবির গ্রহণযোগ্যতা কমছে। প্রমাণ হিসাবে আর শুধু ছবি যথেষ্ট নয়, তার সঙ্গে মেটাডেটা, উৎস ও যাচাইযোগ্য প্রক্রিয়া জরুরি হয়ে উঠছে। অন্যদিকে ছবি ক্রমশ আশ্রয় নিচ্ছে শিল্প গ্যালারি ও নান্দনিক অভিজ্ঞতার জগতে।

আলোকচিত্র ও আধুনিক চিত্রমাধ্যম নিয়ে দার্শনিক আলোচনা বিংশ শতাব্দীতে এক নতুন গভীরতা লাভ করে। ওয়াল্টার বেনিয়ামিন তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ ‍‘The Work of Art in the Age of Mechanical Reproduction’-এ দেখিয়েছেন, যান্ত্রিক পুনরুৎপাদনের ফলে শিল্পকর্ম তার স্বাতন্ত্র্য হারায়। আলোকচিত্র এই প্রক্রিয়ার কেন্দ্রবিন্দু। যখন একটি ছবি অসংখ্য কপিতে ছড়িয়ে পড়ে, তখন তার সঙ্গে যুক্ত সময়, স্থান ও উপস্থিতির অনুভব ভেঙে যায়। বেনিয়ামিনের এই বিশ্লেষণ আমাদের বুঝতে সাহায্য করে, কেন ছবি ধীরে ধীরে প্রমাণ থেকে নান্দনিক ভোগ্যবস্তুতে পরিণত হয়। ছবির ওপর আর কোনও একক সত্যের অধিকার থাকে না, বরং তা হয়ে ওঠে ব্যাখ্যাযোগ্য, পুনর্বিন্যাসযোগ্য এবং রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারযোগ্য। পরবর্তীকালে Jean Baudrillard তাঁর Simulacra তত্ত্বে আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, আধুনিক বিশ্বে আমরা আর বাস্তবের প্রতিরূপ দেখি না, বরং প্রতিরূপই বাস্তবকে প্রতিস্থাপন করে। ডিপফেক ও AI-নির্মিত ছবির যুগে এই তত্ত্ব যেন বাস্তব রূপ পেয়েছে। এখানে ছবি আর বাস্তবের অনুকরণ নয়, তা নিজেই এক নতুন বাস্তবতা নির্মাণ করে।

ভারতে আলোকচিত্রের ইতিহাস কেবল প্রযুক্তির নয়, এটি জাতি-রাষ্ট্র নির্মাণের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ঔপনিবেশিক আমলে ব্রিটিশ প্রশাসন ছবি ব্যবহার করেছে জনগণকে শ্রেণিবদ্ধ করতে, শাসনকে বৈধতা দিতে এবং ‘সভ্যতা বনাম বর্বরতা’-র দ্বন্দ্ব তৈরি করতে। আদিবাসী, নিম্নবর্ণ ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ছবি তুলে তাদের একধরনের স্থির পরিচয়ে আবদ্ধ করা হয়েছে।

স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় ছবি আবার ভিন্ন ভূমিকা নেয়। নেতাজি, গান্ধীজি, সুভাষচন্দ্র বা বিপ্লবীদের ছবি জাতীয় চেতনার প্রতীক হয়ে ওঠে। এখানে ছবি আর প্রশাসনিক প্রমাণ নয়, আবেগ, অনুপ্রেরণা ও রাজনৈতিক কল্পনার বাহক। স্বাধীনতার পর রাষ্ট্র নিজেও ছবির ওপর নির্ভরশীল হয়ে ওঠে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও আধুনিকতার দৃশ্য নির্মাণের জন্য। বাঁধ, কারখানা, মহাকাশ অভিযান— সবই ছবির মাধ্যমে জাতির সামনে উপস্থাপিত হয়।

বাঙালি সমাজে ছবির ভূমিকা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। উনিশ শতকের সংবাদপত্র, ক্যালেন্ডার আর পটচিত্র থেকে শুরু করে আধুনিক ডিজিটাল মিডিয়া— ছবি এখানে আবেগ ও স্মৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। দাঙ্গা, দুর্ভিক্ষ কিংবা আন্দোলনের ছবি বাঙালি সমাজে গভীর মানসিক ছাপ ফেলেছে। তবে একইসঙ্গে বাঙালি বুদ্ধিবৃত্তির পরিসরে ছবির প্রতি একধরনের সন্দেহও লক্ষ করা যায়। সাহিত্য ও লেখ্য ভাষাকে বরাবরই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই দ্বন্দ্বই আজকের দিনে আরও প্রকট হয়ে উঠেছে, যখন ছবি বিশ্বাসযোগ্যতার সংকটে ভুগছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে বিচারব্যবস্থার সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— প্রমাণ কাকে বলা হবে? ছবি যদি তৈরি করা যায়, বদলানো যায়, এমনকী সম্পূর্ণ কল্পনা থেকে নির্মিত হয়, তবে তার ওপর কীভাবে বিশ্বাস স্থাপন করা সম্ভব? ভবিষ্যতে তাই বিচারব্যবস্থাকে নির্ভর করতে হবে বহুমাত্রিক প্রমাণের ওপর— ছবি, তথ্য, সাক্ষ্য ও প্রযুক্তিগত যাচাই একসঙ্গে। সমাজকে গড়ে তুলতে হবে এক নতুন নৈতিক বোধ, যেখানে ছবি দেখা মানেই বিশ্বাস করা নয়, বরং প্রশ্ন করা। ছবি একসময় সত্যের মাপকাঠি ছিল, আজ তা প্রশ্নের উৎস। এই রূপান্তর আমাদের শিখিয়ে দেয় যে, সত্য কখনও একমাত্রিক নয়, তাকে বুঝতে হয় ইতিহাস, ক্ষমতা ও প্রযুক্তির আলোকে। পাশ্চাত্য দর্শনে যেখানে ছবি দীর্ঘদিন ধরে ‘অনুকরণ’ ও ‘প্রমাণ’-এর দ্বন্দ্বে আবদ্ধ, ভারতীয় চিন্তাধারায় সেখানে দৃশ্যের মূল্যায়ন ভিন্ন পথ ধরে বিকশিত হয়েছে।

ভারতীয় নন্দনতত্ত্বে ছবি বা দৃশ্যের প্রধান কাজ সত্যকে হুবহু দেখানো নয়, বরং অনুভব জাগানো— রস উৎপাদন করা। ভরত মুনির নাট্যশাস্ত্রে রসতত্ত্ব আমাদের শেখায় যে, শিল্পের সার্থকতা নিহিত থাকে দর্শকের অভিজ্ঞতায়। দৃশ্য যদি করুণা, বীরত্ব, ভয় বা বিস্ময়ের রস উৎপন্ন করতে পারে, তবেই তা অর্থবহ। এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে ছবির সত্যতা মানে তথ্যগত নির্ভুলতা নয়, বরং মানসিক সত্য। এ কারণেই ভারতীয় চিত্রকলায় বাস্তবের হুবহু অনুকরণ অপেক্ষা ভাবের প্রকাশ বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল— অজন্তা, মোগল মিনিয়েচার বা পটচিত্রে আমরা বাস্তবের নিখুঁত ফটোগ্রাফি নয়, অনুভূতির ঘনীভবন দেখি। AI যুগে ছবির নান্দনিক আশ্রয় যেন এই প্রাচীন ভারতীয় ধারণার সঙ্গেই অদ্ভুতভাবে মিল খুঁজে পায়।

রাজনীতি, দাঙ্গা, প্রতিবাদ— সব কিছুই আজ দৃশ্যের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এই দৃশ্য-রাজনীতিতে ছবির সত্যতা নয়, তার প্রভাবই মুখ্য। ফলে সমাজ ক্রমশ এক ‘দৃশ্য-উত্তেজিত’, কিন্তু ‘মনন-দুর্বল’ পরিসরে প্রবেশ করছে। AI যুগে ইতিহাস লেখার ধারণাই নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। যদি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এমন ছবি দেখে, যা বাস্তবে ঘটেনি, তবে ইতিহাসের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কী হবে? স্মৃতি কি তখন অভিজ্ঞতা, নাকি কি অ্যালগরিদমের ওপর দাঁড়াবে? এ প্রশ্ন আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় ইতিহাসের নৈতিক দায়িত্বের দিকে। ভবিষ্যতে হয়তো ইতিহাসে ছবি থাকবে, কিন্তু তার সঙ্গে থাকবে সতর্কতা— এটি সত্যের দলিল নয়, ব্যাখ্যার সম্ভাবনা। যে সমাজ একসময় চোখকে বিশ্বাস করত, সে সমাজ আজ চোখকেই প্রশ্ন করতে শিখছে। এটি কোনও পতনের লক্ষণ নয়, বরং পরিণতির চিহ্ন। কারণ বিশ্বাসহীনতা মানেই নৈরাজ্য নয়— বিশ্বাসের শর্ত বদলানোই সভ্যতার অগ্রগতি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ছবি আমাদের আর নিশ্চয়তা নয়, দায়িত্ব দেয়। কোন ছবি আমরা গ্রহণ করব, কোনটিকে প্রশ্ন করব, কোনটিকে নান্দনিক অভিজ্ঞতা হিসাবে দেখব, এই বাছাইয়ের মধ্যেই আধুনিক মানুষের নৈতিকতা নিহিত। ছবি তাই আজ আর আদালতের একক প্রমাণ নয়, ইতিহাসের একমাত্র দলিল নয়। কিন্তু সে মানুষের আত্মসমালোচনার এক অপরিহার্য মাধ্যম। ছবির এই নতুন অবস্থানেই তার ভবিষ্যৎ, যেখানে তা আমাদের সত্য দেয় না, কিন্তু আমাদের সত্যের যোগ্য করে তোলে।

5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

এই বিভাগে

সফলতা কাকে বলে

বিশ্ব ক্রিকেটের উত্তরণে কেরি প্যাকারের ভূমিকা

যুগে যুগে তখন এখন (পর্ব ৮)

পথেঘাটে নাকে আঙুল সমাজের নগ্ন সত্য

ভারতীয় চলচ্চিত্রে চিরভাস্বর বাঙালি প্রতিভার আলো

আমরা দেশি কুকুরকে অবহেলা করেছি

যুগে যুগে তখন এখন (পর্ব ৭)

বাংলা সাহিত্যে নদী

ভারতীয় ক্রিকেট দল পারলে অন্যান্য খেলায় দেশ পিছিয়ে কেন 

क्या स्कूल के पाठ्यक्रम में थिएटर को शामिल किया जाना चाहिए