মহাশোরগোল প্রতিবেদন: বনগাঁর বন্ধ সংস্কৃত শিক্ষা ও চর্চাকেন্দ্র পুনরায় চালু করার দাবি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন এলাকার নাগরিকরা। আজ থেকে ৭০ বছর আগে বনগাঁ কলেজ রোড খয়রামারিতে সংস্কৃত শিক্ষা এবং চর্চাকেন্দ্র হিসাবে এই টোল অর্থাৎ চতুষ্পাঠী প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ বঞ্চনা এবং অবহেলার কারণে এটির এখন জীর্ণদশা। বর্তমানে এখানে একটি শিশু শিক্ষাকেন্দ্র চলে। অতীতে বিভিন্ন সময় ভোটগ্রহণ কেন্দ্র হিসাবে এটি ব্যবহৃত হয়েছিল। এলাকার সাধারণ মানুষ চাইছে, এই চতুষ্পাষ্ঠীকে পুনর্জীবন দেওয়া হোক। শিক্ষা এবং সংস্কৃত চর্চাকেন্দ্র হিসাবে এই চতুষ্পাঠী পুনরায় চালু করার জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছেন এলাকাবাসী।
বনগাঁ মহকুমার ঐতিহ্যশালী সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এই চতুষ্পাঠী। বনগাঁর সমাজসেবী, তারক বসু, সঞ্জয় চ্যাটার্জি, বিশ্বগোপাল ভট্টাচার্য, নাগরিক আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্ব সন্ত শিকদার, সংস্কৃত চর্চা আন্দোলনের নেতা প্রবীর বিশ্বাস-সহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা দাবি করেছেন, অবিলম্বে এই চতুষ্পাঠীকে হেরিটেজ ঘোষণা করা হোক এবং বিল্ডিংয়ের পুনরনির্মাণের জন্য রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকার এগিয়ে এসে সংস্কৃত চর্চা এবং শিক্ষাকেন্দ্র হিসাবে একে নতুন করে সাজিয়ে তোলা হোক। এ বিষয়ে দল-মত নির্বিশেষে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে এই চতুষ্পাঠী সাজিয়ে তোলার উদ্দেশ্যে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের সহযোগিতা প্রার্থনা করেছে।
বনগাঁ উত্তর বিধানসভার বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া জানান, বিধানসভার আগামী অধিবেশনে এই চতুষ্পাঠী সংস্কারের বিষয়ে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন। তিনি আশা রাখেন, অতি দ্রুত এর সংস্কার হবে এবং সংস্কৃত শিক্ষা এবং চর্চাকেন্দ্র হিসাবে বনগাঁর এই চতুষ্পাঠী পুনরায় চালু হবে।
