মহাশোরগোল প্রতিবেদন: মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে বিদ্যার দেবী সরস্বতীর আরাধনা করা হয়। এ বছর এই তিথি রবিবার দুপুর থেকে শুরু হয়ে সোমবার ৯টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত ছিল। তাই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্লাব এবং বাড়িতে দু’দিন সময় ছিল সরস্বতী পুজো করার জন্য। অধিকাংশ বাড়িতে এবং অনেক স্কুলে প্রথম দিনে পূজার্চনা শেষ করা হয়। দ্বিতীয় দিনেও অনেক প্রতিষ্ঠানে সরস্বতীর আরাধনা করা হয়।
উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার বাণীপুরে পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীনতম (১৯৩২ সালে স্থাপিত) স্নাতকোত্তর সরকারি শারীরশিক্ষা কলেজে সোমবার সকালবেলায় পূজার্চনা শুরু হয়। পুরোহিতের মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিদ্যার দেবী সরস্বতীর আরাধনা। কলেজের বিপিএড-এর দু’টি সেমিস্টার এবং এমপিএড-এর দু’টি সেমিস্টারের ছাত্রছাত্রীরা সরস্বতীর আরাধনায় অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যাপক ড. সৌমেন্দ্রনাথ ঘোষ, ড. মিলনকুমার সাহা, ড. মনোজকুমার মুর্মু, ড. ঋষিকেশ বল, ড. জয়ন্তকুমার দেবনাথ এবং সুশান্তকুমার মোদক-সহ কলেজের অন্য শিক্ষাকর্মীরা। কলেজের সকল ছাত্রছাত্রী এবং উপস্থিত অধ্যাপকরা দেবীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন। তারপর শুরু হয় যজ্ঞ। পুজো শেষে সকলের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। দুপুরে ছিল ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষকদের আহারের ব্যবস্থা।

সুন্দরভাবে নিরুপদ্রবে শেষ হল কলেজের এ বছরের সরস্বতী বন্দনা। পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতিতে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যায়তনগুলিতে সব ধর্মের ছাত্রছাত্রীই এই উৎসবে অংশগ্রহণ করে পুজোকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে যায়।
