Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন: আশু সমাধানের উদ্দেশ্যে অল ইন্ডিয়া লিগ্যাল এইড ফোরামের আলোচনাসভা

Share Links:

মহাশোরগোল প্রতিবেদন: অল ইন্ডিয়া লিগ্যাল এইড ফোরাম “বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘন” বিষয়ক সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করল কলকাতার হোটেল পিয়ারলেস ইন-এ। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক ক্ষমতা পরিবর্তনের পর গত চার মাস ধরে বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায় স্থানীয় কিছু মানুষের দ্বারা যন্ত্রণাদায়ক নির্যাতনের সম্মুখীন হচ্ছে।

অল ইন্ডিয়া লিগ্যাল এইড ফোরামে বক্তব্য, এটা খুবই আশ্চর্যের বিষয় যে, বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর প্রচণ্ড নির্যাতন সত্ত্বেও মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান অস্থায়ী সরকার কার্যত নীরব এবং পুলিশ প্রশাসন ওই অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি, বরং তারা বাংলাদেশে হিন্দুদের সম্পত্তি ও সবকিছু ধ্বংস করতে ওই মানুষদের উসকানি দিচ্ছে। অতএব এটি মানবাধিকার, মৌলিক অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের সরাসরি লঙ্ঘন। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলি হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো এবং সহিংসতা উসকে দেওয়ার হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। এর ফলে গণহিংসা, মন্দির ধ্বংস, পরিবারের বাস্তুচ্যুতি ঘটেছে এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতাদের ওপর অন্যায্য নির্যাতন চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে হিন্দু ধর্মীয় নেতারা নির্বিচারে আটক এবং মিথ্যা অভিযোগের সম্মুখীন হচ্ছেন, যা সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক এবং নৈতিক নেতৃত্বকে ক্ষুণ্ণ করছে। বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের এ বিষয়গুলি সমাধানে নিষ্ক্রিয়তা সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। অতএব এই কার্যকলাপ মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র এবং নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তির অধীনে বাংলাদেশের বাধ্যবাধকতাকে লঙ্ঘন করে। বাংলাদেশে হিন্দুদের এই লঙ্ঘন রোধ এবং নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং অধিকার নিশ্চিত করার জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য। এই পরিস্থিতিতে আমরা জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার, আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এবং বাংলাদেশ সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, ১। ধর্মীয় নেতাদের মুক্তি: আটক হিন্দু ধর্মীয় নেতাদের অবিলম্বে মুক্তি এবং তাঁদের বিরুদ্ধে সমস্ত মিথ্যা অভিযোগ খারিজ, ২। অনলাইন ঘৃণা মোকাবিলা: ঘৃণ্য বক্তব্য রোধে কঠোর নিয়ম প্রয়োগ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিকে জবাবদিহি করা, ৩। সহিংসতার তদন্ত: হিন্দুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার তদন্ত এবং অপরাধীদের বিচারের জন্য একটি স্বাধীন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, ৪। সুরক্ষা জোরদার করা: ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের রক্ষা এবং আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি প্রচারের জন্য শক্তিশালী আইন বাস্তবায়ন, ৫। বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর গণহত্যা সংঘটিত করার জন্য মহম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালত বিচার করেছে এবং বিচারের পর তাঁকে গ্রেফতার করে ফাঁসি দেওয়া উচিত। তাই অল ইন্ডিয়া লিগ্যাল এইড ফোরাম এই সমস্যার সমাধান করার লক্ষ্যে সমগ্র জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দিতে অনুরোধ করছে।

এদিন আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন অল ইন্ডিয়া লিগ্যাল এইড ফোরামের মুখপাত্র তথা আইনজীবী জয়দীপ মুখোপাধ্যায়, বিচারপতি দীপক সাহারায়, বিচারপতি সি এস কারনান, কর্নেল সৌমিত্র রায়, ব্রিগেডিয়ার দেবাশিস দাস, কর্নেল পৃথ্বীরঞ্জন দাস, কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত ও আইনজীবী অশোক দাস অধিকারী-সহ অন্যরা।

5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Sudip Narayan Ghosh
Sudip Narayan Ghosh
1 year ago

More such writings are looked forward to.

এই বিভাগে

৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি শ্রীহট্ট সম্মিলনীর সার্ধশতবর্ষ উদ্‌যাপন

বনগাঁর শতাব্দীপ্রাচীন শ্রীকৃষ্ণ চতুষ্পাঠী আজ অবহেলার নীরব সাক্ষী

বড়িশায় নেতাজির স্মৃতিধন্য ঐতিহাসিক অঙ্গনে আন্তর্জাতিক ইতিহাস উৎসব

কাগজের কলম মাটিতে পুঁতলেই বেরোবে গাছের চারা

১৪ বছরের মেয়ের লেখা গল্প His Childhood Sweetheart

নেতাজির আদর্শে ছাত্র-যুবশক্তিকে একত্রিত করল জাগ্রত সংঘ

শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের জন্য দৌড় কিংস্টন এডুকেশন ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের

রাসবিহারী বসু স্মৃতি পুরস্কারের অর্থ গবেষণায় দান করেছেন শমীকস্বপন ঘোষ

জন্মদিনে অভিনব উদ্যোগ, হাওড়ায় দরিদ্র সেবা

বনগাঁর ইউনাইটেড ক্লাবের পুজোয় ঘুঁটের অভিনব দৃশ্যায়ন