Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

যন্ত্রসংগীতের ব্যতিক্রমী আসর

কোমল গান্ধার সংগীত মহাবিদ্যালয়ের উদ্যোগে সংগীতানুষ্ঠান। ২৬ অক্টোবর, ২০২৪।

Share Links:

মহাশোরগোল প্রতিবেদন: শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে বাঁকুড়া জেলা বরাবরই উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করে চলেছে। পর্যটন ও সংগীত জগতেও এই জেলার অবদান অনস্বীকার্য। হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতে বিষ্ণুপুর ঘরানা বহু প্রাচীন। বাঁকুড়া জেলাজু্ড়ে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের সংগীতের আসর বসে। তার মধ্যে দু’-একটি ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠান হয়। গত ২৬ অক্টোবর বিকেলে বাঁকুড়ার ঐতিহ্যবাহী হিন্দু হাইস্কুলে শাস্ত্রীয় সংগীতের এমনই একটি আসর বসেছিল। অনুষ্ঠানে দক্ষ শিল্পীদের তারের বাদ্যযন্ত্রে তোলা শ্রুতিমধুর অনবদ্য সুর উপস্থিত সংগীতপ্রেমীদের মুগ্ধ করে দেয়। মূলত বাংলার ঐতিহ্যবাহী তারের যন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখার সংকল্প নিয়েই আয়োজিত হয় এই বিশেষ অনুষ্ঠান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় নৃত্য, অন্যান্য সংগীত, আবৃত্তি। তবে সেতার, গিটার ও সিন্থেসাইজারের সুরমূর্ছনা সংগীতরসিকদের মনে অন্য স্বাদ এনে দেয়। নবপ্রজন্মের শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরণীরা তারের বাদ্যযন্ত্রের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন, এমন দৃশ্য দেখলে আনন্দ হওয়ারই কথা।

শহরের কোমল গান্ধার সংগীত মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ-প্রশিক্ষক ফাল্গুনী নাগ প্রায় ৫০ বছর ধরে তারের যন্ত্র সেতার ও গিটার প্রশিক্ষণ দিয়ে চলেছেন। তাঁর কোমল গান্ধার সংগীত মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৮৫ সালে। ওইদিন তাঁর সংস্থার ছাত্রছাত্রীরা আয়োজন করেন বিজয়া সম্মেলনের। ভিন্নধর্মী তারের বাদ্যযন্ত্রের আসরে প্রায় শতাধিক ছাত্রছাত্রী ও আমন্ত্রিত শিল্পী অংশগ্রহণ করেন। প্রদীপ প্রজ্বলন ও বেদমন্ত্র পাঠের মধ্য দিয়ে শাস্ত্রীয় সংগীতের বিজয়া সম্মেলনের উদ্বোধন হয়। অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডা. আদিত্যপ্রসাদ সরকার, শক্তি চট্টোপাধ্যায় এবং মানবেন্দ্র ব্যানার্জি। একক গিটার, একক সেতার, একক সিন্থেসাইজার, একক মনোবীণা ছাড়াও সমবেত সেতার ও গিটারের সুর উপস্থিত সকলকে মোহিত করে দেয়।

পণ্ডিত ধ্যানেশ নারায়ণ খাঁ এবং বিষ্ণুপুর ঘরানার পণ্ডিত মণিলাল নাগের কাছে তালিমপ্রাপ্ত কোমল গান্ধার সংগীত মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ফাল্গুনী নাগ কৌশিকী কানাড়া রাগে সেতার বাজিয়ে শোনান। তবলায় সঙ্গত করেন রামেশ্বর দে। প্রিয়াংশু নাগের সেতার, নিরূপ প্রামাণিকের মনোবীণা, মৌসুমী প্রামাণিকের সিন্থেসাইজার, শ্রাবন্তী সেন ও রামেশ্বরী কর্মকারের আবৃত্তি, ডা. আদিত্যপ্রসাদ সরকারের গান সকলকে মুগ্ধ করে। বহু শিশুশিল্পী অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করে এবং গিটার ও অন্যান্য বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে শ্রোতাদের প্রশংসা লাভ করে। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নিরূপ প্রামাণিক এবং রামেশ্বরী কর্মকার।

5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

এই বিভাগে

৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি শ্রীহট্ট সম্মিলনীর সার্ধশতবর্ষ উদ্‌যাপন

বনগাঁর শতাব্দীপ্রাচীন শ্রীকৃষ্ণ চতুষ্পাঠী আজ অবহেলার নীরব সাক্ষী

বড়িশায় নেতাজির স্মৃতিধন্য ঐতিহাসিক অঙ্গনে আন্তর্জাতিক ইতিহাস উৎসব

কাগজের কলম মাটিতে পুঁতলেই বেরোবে গাছের চারা

১৪ বছরের মেয়ের লেখা গল্প His Childhood Sweetheart

নেতাজির আদর্শে ছাত্র-যুবশক্তিকে একত্রিত করল জাগ্রত সংঘ

শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের জন্য দৌড় কিংস্টন এডুকেশন ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের

রাসবিহারী বসু স্মৃতি পুরস্কারের অর্থ গবেষণায় দান করেছেন শমীকস্বপন ঘোষ

জন্মদিনে অভিনব উদ্যোগ, হাওড়ায় দরিদ্র সেবা

বনগাঁর ইউনাইটেড ক্লাবের পুজোয় ঘুঁটের অভিনব দৃশ্যায়ন