mahashorgol.com পোর্টালে প্রকাশিত ড. গৌতম মুখোপাধ্যায়ের ‘ভারতীয় নারী কি আজও অর্ধেক আকাশ হতে পেরেছে’ শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু মন্তব্য করতে চাই। বাংলাদেশে সাম্প্রতিককালে যেভাবে মহীয়সী রোকেয়াকে গালিগালাজ খেতে হচ্ছে, তাতে লেখকের বক্তব্যকে সমর্থন জানাতেই হয়। এখনও সমাজে পুরুষ-প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার জন্য জোরজুলুম চলছে। তবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলে গিয়েছেন, ‘নারীর দুঃখের একমাত্র কারণ নারী।’ চর্চার অভাবে উক্তির সূত্রটি দিতে পারলাম না, কিন্তু সমাজের নিচুতলার (মধ্যবিত্ত ও তার মধ্য) পুরুষরা যখন নারীদের দমন করেন, তখন কোনও না কোনও নারীর দ্বারা প্রভাবিত হয়েই করেন। আসলে নারী বলতে বধূ নয়, কন্যা, মাতা, বৃদ্ধা, স্ত্রী, এই সামাজিক অবস্থানগুলি নিয়ে নারীদের মধ্যেই পুরুষের ওপর অধিকার নিয়ে যে কলহ, তা ভারতীয় নারীর অগ্রসরতার পথে প্রধান বাধা বলেই আমার মনে হয়। পারিবারিক কোন্দল বা গ্রামাঞ্চলে এখনও দু’টি সমবয়সি বধূর কোন্দলে দেখা যায়, শেষে দু’জনের মধ্যে এখনও পুত্রসন্তান প্রসবের প্রসঙ্গ আসে। পুত্রসন্তানের মা কন্যাসন্তানের মাকে এই বলে নিরস্ত করেন যে, ‘তুই আটকুড়ি। ‘কুড়ি’ এখানে কন্যা। উত্তর ভারতীয় রাজ্যে বা সাঁওতালি ভাষাতেও কুড়ি মানে কন্যা। এ গালি কোনও পুরুষ কখনও উচ্চারণ করেননি।
জিৎ আচার্য
পোস্টের কমেন্ট

